নজরুল প্রাসঙ্গিক নয় কেন
নজরুল কি অপ্রাসঙ্গিক আমাদের দেশে?
তাঁকে সামগ্রিকভাবে চর্চার পরিবর্তে খণ্ডিত আকারে বিশ্লেষণের প্রবণতা রয়েছে
যতদিন জুলুম থাকবে ততদিন নজরুল প্রাসঙ্গিক থাকবে
মুক্তির পথরেখা চিহ্নতকরণে সাহিত্যের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ
মুজফফর আহমদ লিখিত ও কলিকাতা হইতে প্রকাশিত ‘নজরুল ইসলাম: আমার স্মৃতিকথা’ নামক বইখানা পাঠ করিলাম। উক্ত বইখানা পাঠ করিতে গিয়া উহাতে নজরুল ইসলাম, ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি’ ও আমার নিজের সম্পর্কে সত্য ও তথ্যের অপলাপ দেখিয়া এই বৃদ্ধ বয়সেও আমি বিস্মিত এবং মর্মাহত হইয়াছি
মেঘবালিকা আসে মেঘের মাদল বাজিয়ে, ঘুম ছুটানো জল ছিটিয়ে, বিজন ঘরে বিজলির হাসি ছড়িয়ে। সে আসে দুরন্ত ঝোড়ো হাওয়া সাথে নিয়ে, আসে চিরনিঠুর প্রিয়তমের পথচাওয়ার গোপন আনন্দের অভিসারিণীর বেশে। তারই পরশে কবির হৃদয়ে প্রেমের দোলা লাগে। মনে জাগে প্রণয়যুগলের ঝুলনের আবেশ। স্মৃতিকাতরতায় ব্যর্থ প্রেমের বাসি ফুলে জাগে নতুন ভালোবাসার সাধ!’ একটু থামল হেলাল। চোখ বুলিয়ে নিলো অন্যদের মুখের ওপর দিয়ে। সবাই বেশ আগ্রহ ভরেই ওর কথাগুলো শুনছে। কাজেই, আরও আগ্রহ সৃষ্টি হলো নজরুল সম্পর্কে জ্ঞান জাহির করার
মাত্র বাইশ বছর বয়সে কাজী নজরুল ইসলাম, নিজের তো বটেই, বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ কবিতা লিখে ফেলেন। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে রচিত এই কবিতাটি তাকে খ্যাতির শিখরে তুলে দেয়। বিদ্রোহী কবিতা নিয়ে নানান ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ, গবেষণা হয়েছে, হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে