তারহীন গিটারে বাজে না সুর
মিছে মায়া মিছে সংসার মুখ ও মুখোশের দ্বন্দ্ব অহর্নিশ
চোখ খুলে দেখি দিঘির জলে হাসে মীরজাফর
শপথবাক্য পাঠে সত্যিটুকু লুকিয়ে রয়
মাস্টার মশাইয়ের মগজে ভেতর ভূমিকম্পন
তারহীন গিটারে বাজে না কোনো সুর কাঁদে মন স্বার্থের যত অভিনয়
ঘুমহীন চোখ জানে রাতে নীরবতা মিছে মায়া মিছে সংসার
রঙ মেখে সেজে আছি সঙ…
চৌদিক অন্ধকার
আমিও স্বপ্ন দেখতে পারি জেগে জেগে
ছেঁড়া পকেট হলুদ জামা হিমু আবেগে ।
খুঁজি হারিয়ে প্রিয় নিকটতম স্বজন
মানুষের ভিড়ে মানুষ খুঁজে মন
অনুভূতি নেই আর ফ্যাকাশে যৌবন
চোরাবালিতে ডুবে গেছি চৌদিক অন্ধকার।
হাসপাতাল দেখলে
হাসপাতাল দেখলে মনে হয় ঈশ্বর আছেন
রোগীদের মুখমন্ডল দেখলে মনে হয়
জন্মিলে মরিতে হয়, কিসের এতো বড়াই
পশ্চিমে যাবার শপথ করি প্রতিমুহূর্তে মুহূর্তে
ব্যথা-বেদনায় ডুবে গেলে অহর্নিশ দেখি ঈশ্বরকে
ডানে বামে সামনে পেছনে ঘুমচোখে
আমাদের বাড়ি থেকে বেরুলেই রাস্তাটি
সোজা চলে যায় হাসপাতালের দিক
অজান্তেই কাঁদে চোখ।
চেতনায় একাত্তর হৃদয়ে বাংলাদেশ
ভূপৃষ্ঠের পথে পথে হাঁটছে মানুষ
দৌড়াচ্ছে মানুষ
বাঁধছে ঘর সাজাচ্ছে সংসার
এদেশ ওদেশ ঘুরছে মানুষ
দিনে দিনে বিশ্বজয় করছে মানুষ।
তবুও
মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব আজীবন
মৃত্যু পরবর্তীও
আমাদের চোখ বড় হতে হতে আমরা বৃদ্ধ হয়ে যাই
তৃতীয় শক্তির সাথে ওঠাবসা শুরু হয়।
মাথার চুল শাদা হয়ে আসে। পড়ে যায় দাঁত।
সবাই সব কিছুতে বিশ্বাসী হতে পারে না। আমিও
বাংলাদেশের চেতনায় মানুষ এক, ও অভিন্ন
বিজয় দিবস কিংবা স্বাধীনতা দিবসের প্রহরে
চোখে দেখি
চেতনায় একাত্তর হৃদয়ে বাংলাদেশ
সৃজনশীল মানুষের ঝাঁক উল্লাসে উচ্ছ্বাস।
হাতে-বুকে লাল সবুজ পতাকা ওড়ে
সারি সারি জনতার। স্লোগানের পর স্লোগান।
“একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার
সারা বিশ্বরে বিস্ময় তুমি আমার অহংকার”
কানের ভিতর বাজে বিজয়ের সুর
সকাল বিকেল রাত্রিদুপুর….
